বাংলাদেশ (BST):৫:৪২:১২ অপরাহ্ন
ঐতিহ্যবাহী পঞ্জিকা ও জ্যোতির্বিজ্ঞান

বাংলা পঞ্জিকা ১৪৩২-১৪৩৩: তিথি, নক্ষত্র, শুভক্ষণ ও পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা

বাংলা পঞ্জিকা বা পঞ্চাঙ্গ হলো বাঙালি সনাতন সংস্কৃতির প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যাভিত্তিক দিনপঞ্জি। এটি তিথি, নক্ষত্র, যোগ, করণ এবং বারের সমন্বয়ে দিন ও শুভক্ষণ নির্ণয় করে।

পঞ্জিকার পঞ্চাঙ্গ বা পাঁচটি প্রধান অঙ্গ

১. বার (Vara)

সপ্তাহের সাতটি দিন (রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি)।

২. তিথি (Tithi)

চন্দ্র ও সূর্যের দূরত্বের ভিত্তিতে নির্ধারিত চান্দ্র দিন (প্রতি পক্ষে ১৫টি তিথি)।

৩. নক্ষত্র (Nakshatra)

চন্দ্রের কক্ষপথে মোট ২৭টি নক্ষত্রের মধ্যে নির্দিষ্ট সময় অবস্থান।

৪. যোগ (Yoga)

সূর্য ও চন্দ্রের দ্রাঘিমাংশের যোগফলের ভিত্তিতে মোট ২৭টি যোগ।

৫. করণ (Karana)

প্রতিটি তিথির অর্ধেক অংশকে একটি করণ বলা হয় (মোট ১১টি করণ)।

আধুনিক সৌর ক্যালেন্ডার ও পঞ্জিকার পার্থক্য

বাংলা একাডেমির আধুনিক ক্যালেন্ডার যেখানে সূর্যের বিষুবরেখা অতিক্রম এবং নির্দিষ্ট দিন কাঠামোর (৩১, ৩০ ও ২৯ দিন) ওপর প্রতিষ্ঠিত, সেখানে সনাতন পঞ্জিকা সূর্য ও চন্দ্রের প্রকৃত অবস্থান ও রাশিসংক্রান্তির সময়সূচির ওপর নির্ভর করে।

সম্পর্কিত বিষয়সমূহ:

সাধারণ প্রশ্ন

বাংলা তারিখ, মাস, সন ও ক্যালেন্ডার নিয়ে সংক্ষিপ্ত উত্তর।

বাংলা একাডেমি ক্যালেন্ডার ও সনাতন পঞ্জিকার মধ্যে পার্থক্য কী?

বাংলা একাডেমি ক্যালেন্ডার একটি নির্দিষ্ট সৌর বর্ষপঞ্জি যেখানে প্রথম ৬ মাস ৩১ দিন এবং পরবর্তী ৫ মাস ৩০ দিন। সনাতন পঞ্জিকা সূর্যসংক্রান্তি ও গ্রহের মহাজাগতিক গতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।